http://bn.wikipedia.org/wiki/%E0%A6%AD%E0%A6%BF%E0%A6%9F%E0%A6%BE%E0%A6%AE%E0%A6%BF%E0%A6%A8
মানবকণ্ঠ ডেস্ক
বারবার তীব্র মাথাব্যথার শিকার হলে তা আপনার জীবনকে
দুর্বিষহ করে ফেলতে পারে। কেননা, এ তীব্র মাথাব্যথা থেকে মাইগ্রেন হতে
পারে। মাইগ্রেন এক ধরনের স্নায়ুতাত্ত্বিক বিশৃঙ্খলা বা অসুস্থতা
(ডিসঅর্ডার)। মাইগ্রেনে তীব্র মাথাব্যথায় একসময় বমি বমি ভাব বমি এবং আলো
ও শব্দের প্রতি সংবেদনশীলতা তৈরি হয়। কাজেই, এ জটিল রোগের ভোগান্তি খুবই
কষ্টদায়ক। কিন্তু চিন্তার কোনো কারণ নেই। চিকিৎসকের সাহায্য ছাড়া ঘরে বসেই
এর আরোগ্য-বিধান বাতলে দিয়েছেন স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা। নিচে সংক্ষেপে তা
তুলে ধরা হলো ‘আইস প্যাক’: মাইগ্রেনের ব্যথা অসহনীয় পর্যায়ে পৌঁছুলে আপনি
‘কোল্ড থ্যারাপি’র সাহায্য নিতে পারেন। সে সময় যদি মাথায় বরফ বা বরফ-পুটলি
(আইস প্যাক) দেন তবে তা আপনার তীব্র ব্যথা কমাবেই। কেননা, বরফের
প্রদাহবিরোধী ধর্ম রয়েছে।
ভিটামিন বি-টু: কমপক্ষে ৪০০ মিলিগ্রাম
ভিটামিন বি-২ (বি-টু) খেলে তা মাইগ্রেনের উপসর্গ তাৎপর্যপূর্ণভাবে কমাতে
সাহায্য করবে বলে প্রখ্যাত স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞ সুনীতা পাথানিয়া জানান।
পাখি বা হাঁস-মুরগির ছানা, মাছ, ডিম, কলাইশুটি, দুধ বা দুগ্ধজাত খাবার
(যেমন-দই, মাখন), আঁশযুক্ত সবুজ শাকসবজি ইত্যাদি ভিটামিন বি-২ এর উৎকৃষ্ট
উৎস।
এছাড়া শরীরকে শিথিলায়ন প্রক্রিয়ার মাধ্যমে যেমন, মাথা ম্যাসাজ
করে, ইয়োগা বা মেডিটেশনের মাধ্যমেও আপনি ঘরে বসেই মাইগ্রেন থেকে আরোগ্য বা
প্রতিকার পেতে পারেন। সূত্র: টাইমস অব ইন্ডিয়া
ভিটামিন বি২-এর রাসায়নিক নাম রাইবোফ্ল্যাভিন (C17H20N4O6)। রাইবোফ্ল্যাভিন থেকে ফ্ল্যাভিন মনোনিউক্লিওটাইড ও ফ্ল্যাভিন অ্যাডেনিন ডাইনিউক্লিওটাইড নামে দুটি সহ-উৎসেচক তৈরি হয়। এই সহ-উৎসেচক কার্বোহাইড্রেট, চর্বি এবং শ্বসনীয় আমিষ
বিপাকে সাহায্য করে থাকে। শ্লেষ্মা ঝিল্লীর রক্ষণাবেক্ষণেও এর ভূমিকা
রয়েছে। বি২-এর অভাবে যে লক্ষণগুলো প্রকাশ পায় সেগুলো অতটা স্পষ্ট নয়।
কিছু লক্ষণের মধ্যে রয়েছে: ত্বকের বিকৃতি (বিশেষত নাক ও ঠোটের চারপাশে)
এবং আলোক সংবেদনশীলতা। রাইবোফ্ল্যাভিনের ভালো উৎসগুলোর মধ্যে আছে: কলিজা,
দুধ, মাংস, গাঢ় সবুজ রঙের সব্জি, শস্যদানা, পেস্তা, পাউরুটি এবং মাশরুম।
অথচ স্পিরুলিনায় থাকে গাজরের
চাইতে ১০ গুণ বেশি বেটা-ক্যারোটিন যা কিনা বার্ধক্য কমিয়ে আনার অন্যতম হাতিয়ার।
আর গাজরে রয়েছে অনেক বেশী বিটাক্যারেটিন।
রোগ প্রতিরোধ এন্টি-অক্সিডেন্ট
দীর্ঘজীবী হওয়ার সাধ
সবার মধ্যে থাকে। কে না চায় বার্ধক্য বিলম্বিত করতে, কে না চায় হৃদরোগ মুক্ত থাকতে
অথবা অন্যান্য রোগ থেকে দুরে থাকতে। কিন্তু প্রকৃতির স্বাভাবিক নিয়মে বার্ধক্য আসে,
হয় নানা রোগব্যাধি। এসব রোগব্যাধির সঙ্গে যুদ্ধ করতে সামনের সারিতে থাকে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস।
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস সম্পর্কে জানতে হলে প্রথমেই জানা দরকার ফ্রি-র্যাডিক্যালস
কী এবং কীভাবে উৎপন্ন হয়। আমাদের শরীরের মধ্যে প্রতিনিয়ত চলছে মেটাবলিজম
বা জারনক্রিয়া। জারন-প্রক্রিয়ায় প্রতি মুহুর্তে উৎপন্ন ফ্রি-র্যাডিক্যালস শরীরের কোষকলার
ক্ষতিসাধিত হয়।এই
ফ্রি-র্যাডিক্যালসের কারণে অকাল বার্ধক্য, হৃদরোগ, ক্যাসার এবং অন্যান্য রোগব্যাধি
হয়। ফ্রি-র্যাডিক্যালসের হিংস্রতাকে নির্মুল করতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস বা জারনবিরোধী
ক্ষমতাসম্পন্ন ডায়েট অপরিহার্য। ফ্রি-র্যাডিক্যালস বনাম অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসঃ ফ্রি-র্যাডিক্যালস
এক ধরনের মুক্ত পরমাণু।এদের ধর্মই
হলো স্হায়ী হওয়ার চেষ্টা করা। আর এই স্হায়ী হওয়ার প্রক্রিয়ায় এরা কোষ প্রাচীর ডিএনএ
এদের অনবরত আক্রমণ করতে থাকে এবং ফলস্বরুপ আরো ফ্রি-র্যাডিক্যালস তৈরি হতে থাকে।
আর যতক্ষণ না পর্যন্ত কোনো অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস এদের নিরস্ত্র না করে এরা এদের
ধ্বংসাত্মক আক্রমণ চালিয়ে যেতে থাকে। আর অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসই শরীরকে ফ্রি-র্যাডিক্যালস
নামক সন্ত্রাসবাদী হানার হাত থেকে বাঁচায়। আমাদের শরীরের ভেতর সুপার অক্সাইড ডিসমিউটেজ,
গ্লটাথিওন পার-অক্সাইড ইত্যাদি এনজাইম আছে, এরা এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস, তবে
খাওয়া-দাওয়া থেকে শুরু করে রোজকার ষ্ট্রেস, ষ্ট্রেন, টেনশন, ধুমপান শরীরের এই নিজস্ব
অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসের ক্ষতি করে দেয়। কোথায় পাবেন অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসঃ
নিশ্চয় ভাবছেন এই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস নামক বস্তুটির জন্য খুব মহার্ঘ খাবার-দাবার
খেতে হবে। আসলে তা একদম ঠিক নয়। আমাদের দৈনন্দিন অনেক খাবারের মধ্যেই অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস
থাকে। আলফা ক্যারোটিন, বিটা ক্যারোটিন লাইকোপিন,
ক্রিপটোজ্যানথিন, ক্যানজ্যানথিন লিউটেন, বায়োফ্ল্যাভোনয়েডেস পলিফিনলিক অ্যাসিড,
ট্যানিন, ভিটামিন এ, ভিটামিন সি, ভিটামিন ই কপার, জিঙ্ক, সেলেনিয়াম, আয়রন ইত্যাদি অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস
হিসেবে কাজ করে।এসব খটমট নাম দেখে ঘাবড়ে যাওয়ার আসলে কিছুই নেই। আমাদের
অনেক চেনা শাক-সবজিতে রয়েছে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস, যেমন ধরুন পালংশাক, লালশাক, কুমড়োশাক,
ধনেপাতা, পুদিনা পাতা, সজনা ডাঁটা, পুঁইশাক ইত্যাদি সবরকম শাকে আছে বিটা ক্যারোটিন
আর ঢেঁড়স আর মটরশুঁটিতেও আছে প্রচুরবিটা ও আলফা ক্যারোটিন।আলফা ক্যারোটিন পাবেন বাঁধাকপি, গাজর ও লাইকোপিন নামক এক ধরনের উচ্চমানের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস,
যা ক্যাসার প্রতিরোধ করে। পাবেন টমেটো ও তরমুজে। পাকা আম, পাকা পেঁপে, কমলালেবু
ইত্যাদিতে অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস পাবেন। জেনে রাখুন, পাকা কুমড়াতে আছে ক্রিপটোজ্যানথিন
নামক আর এক ধরনের অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস। ক্যারাটিনয়েড ফ্যামিলির অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টস
পাওয়া যাবে বিভিন্ন রঙিন শাক-সবজি ও ফলমুলে। তাই যারা ফলমুল খেতে পছন্দ করেন, বেশি
করে ফল খান, মিটিয়ে নিন প্রয়োজনীয় অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসের চাহিদা, আর যারা শাক-সবজি
খেতে ভালবাসেন তাদের জন্য রইল অ্যান্টি-অক্সিড্যান্টসের চাহিদা মেটানোর সুবর্ণ সুযোগ টাটকা সবুজ শাক-সবজিতে
রয়েছে ভিটামিন এ, ও সি যা আমাদের মোটামুটি সবারই জানা আছে। আনারস, টমেটো, সব ধরনের
লেবু, আপেল, কলা, পেয়ারা-বেদানা ইত্যাদিতে রয়েছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। কালো
জামে রয়েছে লিউটেন নামক অ্যান্টি-অক্সিড্যান্ট। নানারকম শস্য মানে-চাল, গম, সয়াবিন,
ডাল, শুকনো ফল অর্থাৎ কিসমিস, খেজুর, বাদাম ইত্যাদিতে আছে কপার।দুধ, সামদ্রিক মাছ
আর মাংসে আছে সেলেনিয়াম। xcvx ********************
* যাঁরা ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে চান তাঁরা জেনে নিন কোন চায়ে কত ক্যালরি।
দুধ-চিনিছাড়া লাল চায়ে ২ ক্যালরি। ১ চামচ চিনি দেওয়া লাল চায়ে ১৬ ক্যালরি। ১
চামচদুধ ও চিনি দেওয়া চায়ে ২৬ ক্যালরি। সুতরাং লাল
চা উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগ এবং ওজন নিয়ন্ত্রণে অত্যন্ত কার্যকর।
কিন্তু দুধ চা নয়।
* চা
বা কফিতে রয়েছে পলিফেনন জেস্টানিন। এটি আয়রনের সঙ্গে মিশে শরীর থেকে বের হয়ে যায়।
* চা
শরীরে থায়ামিন বা ভিটামিন বি শোষণ রোধ করে। বি এর অভাবে বেরিবেরি হয়।
* চা
শরীরের আমিষ ও ভিটামিন হজমে বাধা দেয়।
* চায়ে
অ্যাসিডাম টেনিকামস ও জেসথিয়োফিলিনস নামক উপাদান রয়েছে, যা পাকস্থলীর
হজম প্রক্রিয়া ব্যাহত করে
* খাবার
খাওয়ার অন্তত আধা ঘণ্টা আগে অথবা খাবার খাওয়ার এক ঘণ্টা পর চা পান করুন।
* রক্তশূন্যতায়
ভোগা রোগী ও শিশুরা চা খাবে না।
* যাঁদের
এসিডিটির সমস্যা রয়েছে তাঁরা চা কম খাবেন। আর খাওয়ার আগে এক গ্লাস পানি পান করে
নেবেন। এসিডিটির সমস্যা কম হবে।
মাথাব্যথা কার না হয়? শিশু থেকে বৃদ্ধ, সবাই কখনো না কখনো মাথাব্যথায় ভোগেন।
মাথাব্যথার ধরন বা কারণ অনুযায়ী চিকিৎসা নিতে হয়। এ জন্য প্রথমে প্রয়োজন রোগ নির্ণয় করা।
মাথাব্যথা মূলত দুই প্রকার
ক. ব্যথার উৎস মাথার ভেতর: এমন সমস্যা প্রাইমারি হেডেক নামে পরিচিত। যেমন: মাইগ্রেন, টেনশন হেডেক, ক্লাস্টার হেডেক ইত্যাদি।
১.
মাথাব্যথার তাৎক্ষণিক নিরাময় করার জন্য বিভিন্ন বেদনানাশক ওষুধ সেবন করা
যেতে পারে। আবার অতিরিক্ত বেদনানাশক ওষুধ সেবনও মাথাব্যথার কারণ হতে পারে।
তাই খুব প্রয়োজন না হলে এবং চিকিৎসকের পরামর্শ ব্যতীত যখন-তখন ওষুধ খাওয়া
উচিত নয়।
২. পরবর্তী সময়ে বারবার মাথাব্যথা যেন না হয় এবং ব্যথার তীব্রতা যেন কম থাকে, তার জন্য কিছু চিকিৎসা প্রয়োজন হতে পারে।
ব্যথা
কমাতে কিছু কিছু অভ্যাসও পরিবর্তন করতে হবে। অতিরিক্ত ধূমপান, মদ্যপান,
মাদক সেবন, চ-কফি, অনিয়মিত এবং অতিরিক্ত ঘুমের ওষুধ সেবন, রোদ বা অতিরিক্ত
গরম আবহাওয়ায় বেশিক্ষণ থাকা, অতিরিক্ত শারীরিক, মানসিক পরিশ্রম, ক্ষুধার্ত
থাকা ও সময়মতো না খাওয়া, যেকোনো ধরনের মানসিক চাপ ইত্যাদি মাথাব্যথার কারণ।
তাই এসব অভ্যাস পরিবর্তন করলে মাথাব্যথা অনেকাংশে কমে আসবে।
পাশাপাশি
ইতিবাচক জীবনচর্চা, সুনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক বা মানসিক বিশ্রাম,
পর্যাপ্ত ঘুম, মেডিটেশন ইত্যাদি মাথাব্যথার প্রকোপ কমাতে সাহায্য করে।
খ.
ব্যথার উৎস যখন মাথার বাইরে: এটি সেকেন্ডারি হেডেক। এমন ব্যথার কারণটি
বাইরে কোথাও রয়েছে, যাতে মাথাও আক্রান্ত হয়। যেমন: সাইনুসাইটিস,
মাসটয়ডাইটিস, গ্লুকোমা, দাঁতের সমস্যা, আঘাত, মস্তিষ্কের টিউমার ইত্যাদি।
এ
ক্ষেত্রে সাধারণত যে কারণে মাথাব্যথা হচ্ছে তা অনুসন্ধান করা জরুরি। একজন
স্নায়ু বিশেষজ্ঞের তত্ত্বাবধানে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে রোগ নির্ণয় করে
চিকিৎসা করলেই রোগ নিরাময় সম্ভব। ক্লিনিক্যাল নিউরোলজি, ন্যাশনাল
ইনস্টিটিউট অব নিউরোসায়েন্সেস।
ব্যথা নাশক ৬ খাবার
স্বাস্থ্য ডেস্ক
বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম
ফন্টের আকার
ঢাকা: ব্যথা হলেই আমরা ঔষুধের পেছনে ছুটি। পার্শ্ব
প্রতিক্রিয়ার কারণে ঔষুধ সবসময় আপনার জন্য উপকারি না-ও হতে পারে। তার চেয়ে
ঢের ভালো এই ব্যথা সমস্যার সমাধান যদি আপনার হাতেই থাকে। প্রাকৃতিক ছয়টি
খাবারের মধ্যেই রয়েছে ব্যথার সমাধান।
চেরি ফল: গবেষণা মতে, চেরি
নামক ছোট এই লাল টুকটুকে মিষ্টি ফলটি ব্যথা দূর করে মাংসপেশি গঠনে সাহায্য
করে। চেরি জুস ক্লান্তি দূর করতে পারে।
আদা: আয়ুর্বেদ মতে, শুকনো ও কাঁচা আদা মাংসপেশী ও জয়েন্ট ব্যথা দূর করতে সক্ষম।
যব:
ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ মেয়েদের ঋতুস্রাব এবং তলপেটে ব্যথা দূর করতে যথেষ্ট
ভূমিকা রাখে। এর জিংক মেয়েদের পিরিয়ডকালীন নানা জটিলতা দূর করে।
যব বা ইংরেজীতে barley-তে রয়েছে মালটোজ, গ্লুকোজ, স্যাকারিন, লেসিথিন, এল্যানটয়েন, এমাইলেস এবং ভিটামিন-বি।
গম আর যব উভয়ই একই পরিবার ভূক্ত। তবে স্বাদের দিক থেকে যব কিছুটা নোনতা
এবং ঊষ্ণ প্রকৃতির। গমের স্বাদ মিষ্টি মিষ্টি এবং ঠান্ডা ধরণের।
এর প্রধান প্রধান বৈশিষ্ট্য হচ্ছে যব প্লীহা আর পাকস্থলীর কর্মক্ষমতা
বাড়াতে এবং অজীর্ণ রোগ যাকে ইংরেজীতে dyspesia বলে, যা এক ধরণের পেটের
পীড়া তা দূর করতে এবং প্রস্রাবের সমস্যা নিরসনে সহায়তা করে।
যারা চা খান, তারা চায়ের বিকল্প হিসেবে যব দিয়ে বানানো পানীয় সেবন করতে পারেন। বানানোর পদ্ধতি খুব সহজ। পঞ্চাশ গ্রাম যব কড়াইতে
বাদামী রং ধারণ করা পর্যন্ত ভেজে নিয়ে পরিমান মতো ফুটন্ত পানিতে মেশাবেন।
তারপর তাতে ছোটো ছোটো কয়েক টকুরো আদা ঢেলে দেবেন। এখন দ্রবণটি চায়ের মতো
করে খাবেন।
যব Gramineae গোত্রের
অন্তর্ভুক্ত এবং বিরুৎ জাতীয় উদ্ভিদ। এটি গম জাতীয় একটি খাদ্যশস্য।
বর্তমানে আমাদের বাংলাদেশে শীতকালে সীমিত পরিমানে এর চাষাবাদ হয়। কিন্তু
এটি প্রচুর পরিমানে উৎপাদন করা যায়।যবে ছাতু কুবই উপাদেয় খাদ্য। ইংরেজি নাম Barley এবং বৈজ্ঞানিক নাম Hordeum vulgare।
পুষ্টিমান বিবেচনায় বারলি এবং গম ঘাস প্রায় একই রকম
শীতেছেলেবুড়োসবাইঅসুস্থবোধকরছে।লবঙ্গচাহতেপারেঠাণ্ডাথেকেমুক্তিরঅন্যতমপানীয়।
- See more at:
http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/346789.html#sthash.SCSgEOqA.dpuf
আপনিযদিস্বাস্থ্যসচেতনহনঅথবাযদিবিশ্বাসকরেনরোগউপশমেরচেয়েপ্রতিরোধইউত্তম,
তাহলেসঠিকখাদ্যাভাসেখুবসহজেইথাকতেপারেনরোগবালাইয়েরঝামেলাথেকেমুক্ত।
- See more at:
http://www.banglanews24.com/beta/fullnews/bn/333447.html#sthash.Ql3M61Im.dpuf
ব্যথা নাশক ৬ খাবার